Saturday, March 2, 2019

গর্ভাবস্থায় সাবধানতা অবলম্বন করুন খাদ্য ও পানীয় গ্রহনের ক্ষেত্রে || Take precautions during pregnancy


গর্ভাবস্থার সময়টি একটি দীর্ঘ সময়, এই সময় টি হল নারী জীবনে আসা একটি চরম আনন্দ ময় উপলব্ধির সময়, এই সময়   প্রতিটি ক্ষেত্রেই বাড়ির বড়রা বিভিন্ন বিধান দিয়ে থাকেন যে
এটা কর না বা ওটা করতে নেই এবং এর সাথেই থাকে বিভিন্ন খাবারের উপর নিষেধাজ্ঞা , যেটা দীর্ঘ্য দিন বজায় রাখা খুবই কষ্টকর হয় কিন্তু একটি হবু মা তার সন্তানের উপযুক্ত স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই কস্ট অম্লান বদনে মেনে নেন
কিন্তু বর্তমানে দিনকাল পাল্টেছে বিভিন্ন ধরণের নতুন খাবার
তৈরী হচ্ছে এবং তাতে আমরা একটু বেশিই অভ্যস্থ হয়ে পড়ছি
কিন্তু এ ব্যাপারে নিতে হবে সাবধানতা আজকের আলোচনা সেই ব্যাপারেই তাহলে চলুন শুরু করি

১> প্রসেসড মিট ও কাঁচা বা অর্ধ সেদ্ধ ডিম : 

Processed meat and raw or semi-boiled eggs
Processed meat and raw or semi-boiled eggs


বর্তমান অতি ব্যস্ততার যুগে প্রসেসড করা খাদ্যের রমরমা বেড়েছে আর সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রোগের প্রকোপ , তাই ভুল করেও রোস্ট খাবার , প্রসেসড মিট , কাঁচা বা অর্ধ সেদ্ধ ডিম খাবেন না এতে বেশির ভাগ সময় টক্সপ্লাজমা ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ দেখা যায় যা গর্ভাবস্থায়
মা ও বাচ্চা উভয় এর জন্য ক্ষতি কর , তবে এই সমস্ত পুষ্টিকর উপাদান গুলি কে এড়িয়ে গেলেও চলবে না তাই এগুলি যেমন (সমুদ্রের মাছ , ডিম , মাংস ) সর্বদা পরিমান মত ও টাটকা এবং সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে তবেই
গ্রহণ করুন |

২> ভিটামিন : 

Vitamin
Vitamin

শরিরে ভিটামিন এর প্রয়োজনীয়তা কি তা  আর বলার অপেক্ষা রাখেনা তবে এ ব্যাপারে সাবধানতা নিতে হবে কোনো মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট গ্রহণ এর ক্ষেত্রে অবস্যই ডাক্তারের পরামর্স নিয়ে নেবেন , গর্ভাবস্থায় ভিটামিন A ও C অতিরিক্ত মাত্রায় নেবেন
না |

৩> আনপ্রসেসড খাবার চীজ : 

Cheese
Cheese


আমাদের লিস্টে তৃতীয় স্থানে আসে আনপ্রসেসড খাবার যার মধ্যে চীজ খুবই জনপ্রিয় , এই জাতীয় আনপ্রসেসড খাবার গর্ভাবস্থায় খাওয়া একেবারেই উচিত নয় , চীজ যদি নরম থাকে তবে তাতে জল বেশি থাকে ফলে লিস্টেরিয়া নামক ব্যাকটেরিয়ার আক্রমন বেশি হয় জা শরিরের পক্ষে একদমই ভালো না |

৪> পরিহার করুন মাদক আসক্তি : 

Drug addiction
Drug Addiction

ধুমপান ও মদ্যপান এর মত বাজে আসক্তি গুলি এখুনি পরিহার করুন , এই গুলি গ্রহণে শরীরে  ডোপামিন হরমোন ক্ষরণ হয় যা  গর্ভাবস্থায় গর্ভস্থ ভ্রুণের ব্যাপক ক্ষতি করে |

৫ > পরিহার করুন  উত্তেজক পানীয় : 

Stimulant drinks
Stimulant Drinks

চা ,কফি এগুলির মত পানীয় গুলি পরিহার না করলেও এগুলি গ্রহনের মাত্রা রাখুন নিয়ন্ত্রিত  এগুলির মধ্যে আছে অতিরিক্ত ক্যাফেইন, যা শরীরে মাত্রা অতিরিক্ত গেলে  
মিস ক্যারেজ ও কম ওজনের শিশু হবার আশংকা তৈরী হতে পারে |


৬> বাসী খাবার : 

বাসী খাবার

গর্ভাবস্থায় যে কোনো ধরণের বাসী খাবার পরিত্যাগ করুন , বাসী তরকারী ,স্যালাড বা দীর্ঘক্ষণ ধরে আলগা থাকা কাটা ফল এগুলি এড়িয়ে চলুন
এই সব বাসী খাবার , তরিতরকারি তে  লিস্টেরিয়া প্যারাসাইড থাকে যা ক্ষতিকর

৭> কলা ও পেঁপে : 

Bananas and papaya
Bananas and Papaya

পেট পরিস্কার করতে কলা , পেঁপে প্রভিতির মত ফল গুলির জুরি মেলা ভার এতে ফাইবার
যা পেট পরিস্কার করে ও গ্যাসের প্রকোপ কমায় কিন্তু এগুলির অধিই মাত্রায় গ্রহনের ফলে দেহের তাপ বেড়ে  যায় যা ক্ষতিকর |

৮> ঠান্ডা পানীয় : 

Cold Drinks
Cold Drinks

এখন কার দিনে ঠান্ডা পানীয়র যে গুরুত্ব তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা তবে এটি খুবই মারাত্বক এতে  সংরক্ষক থাকে যা ক্ষতি কর ; এক্ষেত্রে বিকল্প হিসাবে প্রাকিতিক উপাদান  ডাবের জল খেতে পারেন যা তেষ্টা মেটাবার সাথে শরীরের উপকারেও আসবে |

পোস্ট টি যদি আপনাদের ভালো লাগে তবে কমেন্ট করে জানাবেন ও শেয়ার করবেন | এই ধরণের পোস্ট পেতে ফলো করুন 

দৈনন্দিন কথা "  এই সাইট টিকে , ধন্যবাদ |

বি.দ্র. ছবি গুলি সংগৃহীত গুগল থেকে |





Saturday, February 23, 2019

প্রাকিতিক দুর্যোগ বাজ এর থেকে বাঁচার উপায় ও সাবধানতা || Prevention of natural disaster lightning and caution


বাজ পড়ে মৃত্যুর হার ক্রমস বেড়েই চলেছে ; আপনি কি জানেন এর থেকে বাঁচার উপায়

প্রতি বছর বিশ্ব উষ্ণায়নের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ক্রমশ বেড়ে চলেছে বজ্রপাতের হার, ভারতে প্রাণহানির পরিসংখ্যান তাই বলছে।সরকারি হিসেব অনুযায়ী সমস্ত প্রাকিতিক বিপর্যয় এর থেকে বাজ পরে মৃত্যুর হার সবথেকে বেশি এর ফলে বাজ পড়া মানুসের কাছে একটি আতঙ্কের বিষয় হয়ে উঠেছে |
ঝড়, বৃষ্টির সময়ে অনেককেই বাইরে খোলা আকাশের নিচে থাকতে  হয় বা বাইরে কাজের জন্য যেতে হয় এই রকম পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হওয়া কোনো অস্বাভাবিক ব্যাপার নয় | তাই বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, বাজের ছোবল থেকে বাঁচতে ঝড়, বৃষ্টির সময়ে অবস্যই
কোনো বাড়ির নিচে বা গাড়ির ভিতরে থাকা নিরাপদ তবে এক্ষেত্রেও নিতে হবে কিছু সতর্কতা যেমন কোনো ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করবেননা , কোনো ধাতুর জিনিস ছোবেন না , জলের সংস্পর্শে থাকবেন না , এমনকি জানলা দরজার রড ও এক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রমানিত হতে পারে |

বৃষ্টিপাত ও বাজ পড়ার সময় যেগুলি করবেন না :

১> ঘরের বাইরে বের হবেন না ; বৃষ্টি কমলে বাজের শব্দ সম্পূর্ণ কমলে তার অন্তত ১ ঘন্টা পরে বাইরে বের হন |
২> ঘরের কোনো রড এর জানালা দরজার সংস্পর্শে আসবেন না |
৩> কোনো ধাতব জিনিস ছোবেন না |
৪> জলের সংস্পর্স এড়িয়ে চলুন ; পুকুরের ধরে বা সমুদ্রের সৈকতের ধারে যাবেন না | বাড়িতে থাকা ট্যাপ কলের জলের সংস্পর্স এড়িয়ে চলুন |







সুস্থ থাকতে বেগুনের গুন অপরিসীম || To be healthy, the quality of the brinjal is immense



সুস্থ থাকতে বেগুনের গুন যে অপরিসীম তা আমরা হয়ত অনেকেই জানিনা , তাই আজ চলুন জেনে নেয়া যাক বেগুনের গুনাগুন 

১> ম্যালেরিয়ার দরুন লিভার বেড়ে গেলে রোজ সকালে কচি বেগুন পুড়িয়ে খালি পেটে দুই চামচ গুড় মিশিয়ে খান ৩-৪ সপ্তাহ উপকার পাবেন |

২> লিভারের দোষ এর জন্য শরিরে হলদেটে ভাব এলে বেগুন পুড়িয়ে  ৪-৫ সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন |

৩> যাদের ঘুমের সমস্যা আছে তারা যদি বেগুন পুড়িয়ে মধু মিশিয়ে খান উপকার পাবেন |

৪> বেগুনের তরকারী , বেগুন পোড়া , বেগুনের স্যুপে রোজ একটু হিং ও রসুন মিশিয়ে যদি ১ মাস খাওয়া যায় তবে বায়ুর প্রকোপ কমে , পেটে বায়ু গোলক থাকলে তা কমে যায় বা সেরে যায়|

৫> বেগুন মেয়েদের অনিয়মিত ঋতু সমস্যা দূর করতেও কাজে আসে , শীতকালে নিয়ম করে ৫ - ৬  সপ্তাহ বেগুনের তরকারী , বাজরার রুটি এবং গুড় খান তাহলে উপকার পাবেন , তবে যাদের গরমের ধাত বেশি তাদের পক্ষে এটা না খাওয়াই ভালো |

৬> ফোড়া পাকাতে ও বেগুনের ব্যবহার হয় , বেগুনের পুলটিস বেধে  ৭-৮ দিন রাখলে ফোড়া তাড়াতাড়ি পেকে যায়

৭> অর্সের জন্যও বেগুন উপকারী , ছোটসাদা বেগুন ৬ - ৭  মাস নিয়মিত খেলে অর্সের সমস্যার সমাধান হয় |

৮>নিয়মিত বেগুন খেলে মুত্রকৃচ্চতার সমাধান হয় |

৯> কিডনিতে পাথর হলে একেবারে প্রাথমিক পর্যায় ২ -৩ মাস বেগুন খেলে কিডনির পাথর গলে প্রস্রাবের সাথে বেরিয়ে যায় |

আপনি জেনে অবাক হবেন পটলের গুন || You will be surprised to know that the quality of Patal



আজ আমাদের আলোচনার বিষয় “ পটল ” সাধারণত পটল নিয়ে আমরা অনেকেই মজা করে অনেক কথাই বলি তবে এটা জানেন কি সুস্থ থাকতে এবং রোগ সরাতে পটলের জুরি মেলা ভার , তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক পটলের দম কতখানি |

১> পটল গুরু পাক খাদ্য দ্রব্য কে অতি সহজে হজম করতে সাহায্য করে |

 ২> কাশি , জ্বর ও রক্তের দোষ এর নিরাময় করতে পটল সিদ্ধ করে খেলে উপকার পাবেন |

৩> পটলের রস নতুন  চুল গজাতে ও খুসকি ও চুল পরা কমাতে সাহায্য করে |

৪> পটল কৃমি সরাতে খুবই কাজে লাগে | ১০ গ্রাম ওজনের তেতো পলতা , ১০ গ্রাম ওজনের ধনে রাত্রে জলে ভিজিয়ে রাখুন , সকাল বেলা ওই জল ছেঁকে প্রাকিতিক মধু মিশিয়ে দিনে  ৫ বার রোজ  ১- ২  মাস খেলে কৃমি সেরে হয় |

৫> পটল হার্ট সুস্থ রাখতে খুবই ভালো |

৬> পটলের রস প্রাকিতিক মধুর সাথে মিশিয়ে ২-  মাস খেলে তা পিত্ত জ্বর এর জন্য খুবই উপকারী |

৭> পটল ত্বকের উজ্জলতা বাড়ায় , ফোড়াতে যদি  পটল ও নিম পাতার রস দেয়া যায় তবে তা শ্রীঘ্রই সেরে যায় |


Monday, February 18, 2019

সুস্থ থাকার জন্য, শাক সবজির ব্যবহার || healthy use of leafy vegetables


সুস্থ থাকার জন্য, শাক সবজির  ব্যবহার খুবই গুরুত্ব পূর্ণ
এক দিকে যেমন সুলভ  শাক সবজি শরীর কে সুস্থ রাখে তেমনি নির্দেশ অনুসারে এর সঠিক প্রয়োগ দ্বারা অনেক শারীরিক অসুস্থতা ও অসুবিধাও দূর হয় |
সবুজ শাক সবজি তে ফ্যাট কম থাকে অর্থাৎ অধিক মোটা হয়ে যাবার সমস্যা দূর হয়  শরীর কে সুস্থ রাখতে শাক সবজি খ|ওয়া খুবই প্রয়োজনীয় , এতে ভরপুর মাত্রাতে লবন ও ভিটামিন আছে , এই শাক সবজি রক্ত কে ক্ষার বহুল করতে সাহায্য করে | এতে থাকা আঁশ পেট পরিস্কারের জন্য গুরুত্ব পূর্ণ , তবে শাক সবজি খাবার সময় তা যেন পরিস্কার ও টাটকা হয় সেই দিকে নজর দেয়া উচিত